,
শিরোনাম
সুনামগঞ্জে শ্রমিকলীগের ১২টি উপজেলা ও পৌর কমিটি বিলুপ্ত মৌলভীবাজারে অবাধে চলছে পাহাড় কাটা বিয়ানীবাজারে সৎ মেয়েকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে পাষন্ড পিতা অাটক দেওয়ান ফরিদ গাজীর ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ প্রেমিকের সাথে পালাতে গিয়ে চালকের হাতে ধর্ষিত হল প্রেমিকা শাবির ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির চেষ্টা: আটক ২ প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা শুরু আজ বিশেষ ডিস্কাউন্টে KinBD.Com এ পাওয়া যাবে শাওমির স্মার্ট ফোন বিপিএলে পয়েন্ট তালিকায় বড় পরিবর্তন রাবি থেকে অপহৃত ছাত্রী উদ্ধার, আটক ১ শাহ জমির উদ্দিন রহ’র মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়া মাহফিল কাল বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, আরো এগিয়ে যাবে: প্রধানমন্ত্রী

রাজনগরে এখনো একমুঠাে ত্রাণ পায়নি হাজারো পরিবার

ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

আহমেদ বকুল, রাজনগর থেকে: মৌলভীবাজার জেলার রাজ নগর থানার উত্তরভাগ ইউনিয়নের ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি।

যৎসামান্য সরকারি ত্রাণ পেয়েছে বন্যার্তদের একাংশ। এর মধ্যে ছিল পরিবার প্রতি ১০ কেজি করে চাল কিছু পরিবারে ১০ কেজি করে গম।

এমপির পক্ষ থেকে কয়েকটি পরিবারকে ৮শ গ্রাম চিড়া ২৫০ গ্রাম মুড়ি বিতরন করা হয়েছে। এই ত্রান বিতরনের জন্য মানুষ ক্ষুব্দ। হাজারের মত বন্যার্ত মানুষের ঘরে একমুঠাে সরকারি – বেসরকারি ত্রান পৌঁছায় নি।

ঘরে ঘরে খাদ্যের হাহাকার! কথা হয় ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার হুমায়ূন এর সাথে। তিনি বলেন- লিষ্টেট ৬০০ পরিবারের মধ্যে মাত্র দুইবারে ২৬০ পরিবারের মধ্যে, ১৬০ পরিবার কে ১০ কেজি চাল এবং ১৬০ পরিবারকে ১০ কেজি করে গম দেয়া হয়েছে।

৩৬০ পরিবারকে এখনো কােন ত্রান দেয়া হয়নি। বরাদ্দ আসে এক সপ্তাহ পর। ২নং ওয়ার্ডের পূর্ব কেশরপাড়া গ্রামের ৩৫ টি পরিবারের মধ্যে কােন ঘরেই সরকারি- বেসরকারি এক মুঠাে ত্রান পৌছায় নি! এই পরিবারগুলো বঞ্চিত।

মেম্বার তার ভােটারদেরকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। এই বঞ্চিত পরিবারগুলো ঈদেও সরকারি সাহায্য পায়নি। পেয়েছেন মেম্বারের আত্বীয় স্বজন। মেম্বার হুমায়ূন বলেন- সীমিত ত্রাণ তাও আসে ৮/১০ দিন পরে। আমি সবাইকে দিতে পারছি না। কিন্ত সবাই খুব কষ্টে আছে।

নূরুল হক, সেলিম, কাজল, মুতি মিয়া, সজ্জাদ মিয়া,লতিফ মিয়া,সমেরেন্দ্র দাস, ওমেরেন্দ্র দাস, অরুন দাস,ছালিক মিয়া, মানিক মিয়া, কুটি মিয়া, বাবুর মিয়া, আতিক মিয়া,আব্দুল হক, প্রীতি চক্রবর্তী, সহ আরও অনেক পরিবার চরম খাদ্য সংকটে।

একজন মহিলা ১০ দিন থেকে জ্বরে ভুগছেন। কােন ঔষধ পায়নি। মাত্র দুটি প্যারাসিটামল খেয়ে ছিলেন। জ্বরে তার মুখ ফুলে গিয়েছিল। ঔষধ না পেয়ে মসজিদের ইমামকে দিয়ে দােয়া করিয়েছেন বেমার ভাল হবার জন্য।

এভাবে এই তিনটি ওয়ার্ডের অবস্থা। এখানে বন্যা-বাহিত রোগে আক্রান্ত মানুষ কিন্ত কােন মেডিকেল টিম আসেনি। না সরকারি না বেসরকারি!আমি সমাজের বিত্তবান ও সমাজ সংগঠকদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি,আপনারা একটুু খােঁজ খবর নিয়ে ত্রান বিতরন করুন। যারা পাচ্ছে তারা পাচ্ছে, যারা বঞ্চিত তারা বঞ্চিত থেকে যাচ্ছে।

আমি উত্তরভাগ ইউনিয়নের ১, ২,৩ নং ওয়ার্ডের এই সুবিদা বঞ্চিত মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানোরর জন্য সবার দৃষ্টি আকর্ষন করছি। এদের ঘরে ঘরে নিরব হাহাকার ক্রমশ সরব হয়ে উঠছে। মানবিক বিপর্যয় রোধে সবাই এগিয়ে আসার আসুন।

     More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com