,

শাবি ইংরেজি বিভাগের উদ্যোগে ‘শোকাবহ আগষ্ট’ শীর্ষক আলোচনা সভা

21104196_1210733772364181_1593438811_o

শাবি প্রতিনিধি: বাঙ্গালীর জীবনে আগষ্ট মানে শোকের মাস, বেদনার মাস। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে বাঙালি জাতির ইতিহাসে কলংক লেপন করেছিল সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য। ঘাতকের নির্মম বুলেটে এ দিন ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কের ঐতিহাসিক ভবনে নির্মমভাবে শাহাদতবরণ করেছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তাঁর পরিবারের প্রায় সব সদস্য। ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে এই দেশের স্বাধীনতাকে ভুলুন্ঠিত করতে চেয়েছিল।কিন্তু জাতির পিতার যে মৃত্যু নেই! তাই প্রতি বছর এ দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষেরা গভীর শ্রদ্ধার সাথে জাতির জনককে স্মরণ করে শোকাবহ আগষ্টে। তারই ধারাবাহিকতায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ইংরেজি বিভাগ ‘শোকাবহ আগষ্ট’ শিরোনামে আয়োজন করে আলোচনা সভার।
গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০.০০টায় বিশ্ববিদ্যালয়েরমিনি অডিটোরিয়ামে এই আলোচনা সভা শুরু হয়।

ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতি উল্লাহের সভাপতিত্বে সহকারী অধ্যাপক তালুকদার মোহাম্মদ মিসবাহ উদ্দিনের সঞ্চালনায় শোকসভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. হিমাদ্রী শেখর রায় এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইলিয়াস উদ্দীন বিশ্বাস।

শোকসভার শুরুতে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় উপস্থিত সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করে।

পরবর্তীতে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুভূতি প্রকাশ করেন সৈয়দা নশীন হক, তারেক হালিমী, তুষার, সৈকত ইমরান, ইফতেহাজ আনোয়ার চৌধুরী, জাভেদ হোসেন এবং শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুহুল আমিন।
আলোচনা সভায় শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মো. রাজিক মিয়া, সিকান্দার আলী এবং প্রক্টর জহির উদ্দিন।
সহকারী অধ্যাপক রাজিক মিয়া তার বক্তব্যে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে দিয়ে বাংলাদেশের শুরু। এ বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে আমাদের মধ্যে একটি রাজনৈতিক এক্য স্থাপন করতে হবে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাবি ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন শিক্ষার্থীদেরকে বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটি পড়ার জন্য অনুরোধ করেন।

ভিসি তার বক্তব্যে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ছাড়া বিকল্প কিছু নেই। বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি দেশে আসার পর মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন। বাংলাদেশ একটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। এখানে রাস্তাঘাট বলতে কিছুই ছিল না, কোন কালভার্ট ছিল না, স্কুল-কলেজ সব ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে তিনি দেশটাকে পূনর্গঠন করেছেন। এটা অকল্পনীয়।’

ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে জড়িত সকলকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে নিজ নিজ জায়গায় দায়িত্ববান হওয়ার আহ্বান জানান। আলোচনা সভাটি অধ্যাপক ড. আতী উল্লাহ তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

     More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com