,
শিরোনাম
ঢাকাদক্ষিণ কলেজে বঙ্গবন্ধুর ছবি মাটিতে ফেলা নিয়ে উত্তেজনা মৌলভীবাজারে বারুদের তাপে খসে পড়ল পুলিশের আঙুল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন ফেব্রুয়ারীতে জন্মদিনে যা যা করলেন নন্দিত অভিনেত্রী শাবনুর হবিগঞ্জে আনসার সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ আব্দুল বাসিত বরকতপুরীর জানাজা সম্পন্ন: মানুষের ঢল মাদ্রাসার ভূমিতে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন: কঠোর কর্মসূচী আল আমিন জামেয়ায় হাফেজ নিয়োগ ও হিফজ বিভাগে ভর্তি চলছে সিলেট ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজে বিজয় দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দিরাইয়ে প্রেমিকের ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্রী খুন শাবিপ্রবি ইংরেজি বিভাগের বিজয় দিবস উদযাপন সিলেটের প্রবীণ আলেম বরকতপুরীর ইন্তেকাল : আলিয়া মাঠে জানাজা

বানরের উপদ্রবে জুড়ীতে বিপাকে চাষীরা 

banor

আব্দুর রহমান শাহীন, জুড়ী, (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: বানরে তান্ডবে অতিষ্ট মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামের বসতি জনসাধারণ। বানরের দল বেঁধে বেপরোয়া হরিলুটে ধান, সবজি ও বিভিন্ন জাতের ফসলাধি চাষাবাদ বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যার ফলে অত্রাঞ্চলে বসবাসকারীরা ফরমালিনমুক্ত শাক-সবজি ও ফসলাদি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। উপজেলার পূর্ব বড়ধামাই, টালিয়াউরা, দক্ষিণ কালাছড়া, উত্তর কালাছড়া, কুচাই, কচুরগুল, জামকান্দি, দূর্গাপুর, গোবিন্দপুর, বিনোদপুর, আতিয়াবাগ, ধামাই, সোনারুপা, শিলুয়া চা-বাগান এলাকা ও পাতিলাসাঙ্গন, দ্বহপাড়া, অলির ঘাট, বটনিঘাটসহ বিভিন্ন গ্রামের জনবসতিরা না পারছেন বানর তাড়িয়ে দিতে, না পারছেন বানরের হাত থেকে বিভিন্ন মৌসুম সবজি ও ফসলাধি রক্ষা করতে। পেঁপে, শশা, লাউ, মূলা, টমেটো, আলু, আম, কাঁঠাল, আনারস, লিচু, কলাসহ কোন ধরনের সবজি বা ফল বসতবাড়ি ও কৃষি জমিতে চাষাবাদ করে বানরের সাথে যুদ্ধ করেও রক্ষা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

এমনকি তাদের থেকে রক্ষ করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে পোয়াতি ও আধাপাকা খাদ্য শস্য ধান (রোপা আমন)। সুযোগ পেলেই দল-বল নিয়ে হানা দেয় ফসলি জমিগুলোতে। বেওয়ারিশ বানরের দলবদ্ধ তান্ডব চালিয়ে জমির ধান গাছগুলো মাটি ও কাঁদার সাথে মিশিয়ে দেয়। যার ফলে প্রতিবছরই কৃষদের ব্যাপক ক্ষতির সম্মূখিন হতে হচ্ছে। বর্তমানে অত্রাঞ্চলের কৃষকদের যেকোন ধরনের চাষাবাদ
করা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে পড়েছে। পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের টালিয়াউরা গ্রামের সৌখিন চাষী মঈনুল ইসলাম মঈন জানান, তাঁর বসতবাড়ির আশপাশের টিলাগুলোতে কমলা, মাল্টা, লিচু, আম, কাঁঠালসহ বিভিন্ন জাতের সবজি ও ফলের
বাগান করেছেন। প্রতি মৌসুমে বানরের দল হানা দিয়ে সবজি ও ফল গাছের ডালপালা ভেঙে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, ওরা সবজি ও ফল যতটা খায়, তার চেয়ে বেশি গাছ ও ফল নষ্ট করে। লাউ, পেঁপের গাছ ও পাতা ভেঙে নিয়ে যায়।

কচুরগুল গ্রামের প্রবীণ কৃষক আলহাজ্ব নজির আহমদ (৬৫) বলেন, “ধানে তোর বারনির সময় তাকি ফাখার আগ পর্যন্ত খয়েখ দিন লাগ ফারা দেওয়া লাগে। আন্নাইলে তোড়া সময় ফাইলে ফাল বান্দীয়া আইয়া সব নষ্ট করিলাইন আর এই ছানা যাগার
ধান কাটা বড় খষ্ট।’’
এই উপদ্রব্য থেকে কিভাবে রক্ষা পাওয়া যায়, তা অজানা অত্রাঞ্চলের জনবসতিদের। তাই প্রতিনিয়ত হতাশা ও দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাঁদের। বনরের দল বেঁধে আক্রমনের হাত থেকে ফসল ও সবজি রক্ষা করতে না পারায় অনেকেই চাষাবাদ বাদ দিয়ে
নিত্য প্রয়োজনীয় সবজি ও ফসলাধি বাজার থেকে ক্রয় করে চাহিদা পূর্ণ করতে হচ্ছে। যার ফলে নিজেদের চাষকৃত সবজি ও ফসলাধি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন অনেকেই।

     More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

Archive Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com