,

বিয়ানীবাজারে সৎ মেয়েকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে পাষন্ড পিতা অাটক

বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি : বিয়ানীবাজারে সৎ মেয়েকে শ্লীলতাহানির চেষ্ঠার অভিযোগে পিতাকে আটক করেছে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ।

১৮ নভেম্বর শনিবার মেয়ের মায়ের অভিযোগের ভিত্তিকে তাকে আটক করে পুলিশ। অবশ্য আটকের পূর্বে তাকে গণধোলাই দেয় স্থানীয় বাসিন্দারা।

শনিবার দুপুরেই আদালতের মাধ্যমে লম্পট পিতাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে বিয়ানীবাজার পৌরসভার দাসগ্রামের রাজ্জাক মঞ্জিলে।

জানা যায়, অভিযুক্ত লম্পট পিতা আব্দুল কাদির (৬০) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানার মৃত সামসুল মিয়ার পুত্র। সে দ্বিতীয় স্ত্রী ও স্ত্রীর আগের স্বামীর ঘরে এক কন্যাকে নিয়ে বিয়ানীবাজার পৌরসভার দাসগ্রামের রাজ্জাক মঞ্জিলে ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছে। ধৃত কাদির পৌরশহরে রিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতো বলে পুলিশ জানিয়েছে।

থানার দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, কাদিরের স্ত্রী হেলেনা বেগমের পূর্বে অন্য জায়গায় বিয়ে হয়। সে স্বামীর ঘরে তার দুই কন্যা সন্তান রয়েছে। এক কন্যার বিয়ে দিলেও ষোড়শী অপর কন্যা তার সাথে ছিল। এ অবস্থায় কাদিরের সাথে তার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। এ বিয়ের পর ওই কন্যাকে সাথে রাখেন হেলেনা। দাসগ্রামের রাজ্জাক মঞ্জিলে দ্বিতীয় স্ত্রী ও সৎ কন্যাকে নিয়ে কাদির বসবাস শুরু করেন। হেলেনা বেগম বিয়ানীবাজারের এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। শুক্রবার রাতে এক ঘরে ঘুমের সময় কাদির সৎ কন্যাকে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করে। এ সময় মেয়েটি (১৬) চিৎকার করলে ঘুম ভেঙ্গে যায় হেলেনা বেগমের। সকালে এ বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা কাদিরকে গণ ধোলাই দেন।

এ ঘটনায় হেলেনা বেগম বাদী হয়ে স্বামী আব্দুল কাদিরের বিরুদ্ধে থানায় শিশু ও নারী নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন। এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিয়ানীবাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফরিদ উদ্দিন।

     More News Of This Category