কাউন্সিল করবো কোথায়, প্রশ্ন খালেদা জিয়ার

by sylhetmedia.com

এসবিএন ডেস্ক: সরকার বিএনপির কাউন্সিলে বাধা না দেওয়ার কথা বলে আসলেও এখন পর্যন্ত ভেন্যুর অনুমতি না দেওয়ায় দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রশ্ন তুলে বলেছেন, ‘তাহলে অনুষ্ঠান করবো কোথায়, কীভাবে?’

বৃহস্পতিবার রাতে গুলশানে রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, ‘সামনে বিএনপির কাউন্সিল, তারা (ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ) বলে বিএনপির কাউন্সিলে বাধা দেওয়া হবে না, আবার জায়গাও দেওয়া হচ্ছে না। তাহলে কাউন্সিল কোথায় কীভাবে করবো? আমার বাড়িতে না ছোট অফিসে?’

জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের ৩৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই মতবিনিময়ের আয়োজন করা হয়।

প্রায় ৬ বছর পর আগামী ১৯ মার্চ দলের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। এ লক্ষে ১১টি উপকমিটি এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে।

তবে অনুমতি না পাওয়ায় এখনো কাউন্সিলের স্থান নির্ধারণ করতে পারেনি বিএনপি। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রসহ রাজধানীর তিনটি স্থানে কাউন্সিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে দলটি।

এবার কাউন্সিলে ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতি অনুসরণের কথা জানিয়ে বিএনপি নেত্রী বলেন, ‘কেউ একাধিক সংগঠন বা পদে থাকবেন না। বিএনপিতে অনেকে আসতে চায়। একজন একাধিক পদে থাকলে সবাইকে সংগঠনে সম্পৃক্ত করা যাবে না।

তিনি বলেন, ‘আমরা চিন্তা করছি, একজনকে একাধিক পদে রাখা যাবে না। নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করবেন এবং সে অনুযায়ী কাজ করবেন। তারপরে কেন্দ্রীয় নেতারা আপনাদের এলাকায় যাবে।’

সভায় জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের সভাপতি হুমায়ুন ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মিন্টুসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান উপস্থিত ছিলেন।

সরকারের ‘জুলুম-নির্যাতন-অন্যায়ের’ চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরে তাদের ঐক্যবদ্ধ করতে দলীয় নেতাকর্মীদের পরামর্শ দেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

তিনি বলেন, ‘আন্দোলন বড় কথা নয়, এর আগে সারাদেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হবে। তাদের (জনগণ) জাগাতে হবে। সরকারের জুলুম নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরতে হবে।’

গণতন্ত্র না থাকলে উন্নয়ন হয় না- দাবি করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, দেশের অবস্থা খারাপ। একটি অবৈধ সরকার দেশ চালাচ্ছে, যারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি।

এ সংসদও অবৈধ। পুলিশ সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখছে। তাই তারা পুলিশকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। একজন চা বিক্রেতার কাছে চাঁদা দাবি করছে, তা দিতে না পারায় তাকে মেরে ফেলছে। এই হলো দেশের অবস্থা।

দেশে কারো জীবনের নিরাপত্তা নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামীলীগ ছাড়া কেউ ভালো নেই। তারা শান্তিতে আছেন, টাকা বানাচ্ছেন, দুর্নীতি করছেন।

উপরে একজন আছেন, তিনি সব দেখছেন, আর বলছেন- একটু বাড়, আরেকটু বাড়, তারপরে লাগাম টেনে ধরবেন। মানুষের উপরে জুলুম নির্যাতনের মাত্রা যত বাড়বে তত মানুষ সজাগ হবে, ঐক্যবদ্ধ হবে।’

সরকার বিচারপতিদের নিয়ন্ত্রণ করার কারনে বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না বলেও দাবি করেন প্রাক্তন এই প্রধানমন্ত্রী।

Related Posts



cheap mlb jerseyscheap nfl jerseyscheap mlb jerseyscheap nhl jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseys