Home আন্তর্জাতিক দেনমোহর হিসেবে স্বামীর কাছ থেকে টাকার বদলে বই নিলেন স্ত্রী!

দেনমোহর হিসেবে স্বামীর কাছ থেকে টাকার বদলে বই নিলেন স্ত্রী!

বিচিত্রা ডেস্ক: মোহরানা হিসেবে স্বামীর কাছ থেকে টাকার বদলে বই নিয়েছেন সানজিদা পারভীন নামের এক তরুণী। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এ ঘটনা ঘটেছে।

গত ১২ অক্টোবর ওই দম্পতির বিয়ে উপলক্ষে কেনা হয় ৫০ হাজার রুপির বইয়ের বিশাল সংগ্রহ। বাংলাদেশি মূল্যে যা ৬০ হাজার টাকা। গবেষণার জন্য পিএইচডিরত সানজিদার প্রয়োজন অনুযায়ী ছিল বেদ-বাইবেল বিষয়ক বইও।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, বর ২৯ বছর বয়সী মেহেবুব সাহানা দিল্লির জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। আর কনে ২৭ বছরের সানজিদা পারভিন উত্তরপ্রদেশের আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী। সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্যে মুসলিমদের চিন্তার পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা করছেন তিনি।

বিয়ের সময় মোহরানা হিসেবে হবু বর মেহেবুব থেকে অর্থের বদলে বই দাবি করেন সানজিদা। তিনি বলেন, ‘আমি বরের ওপরে আর্থিকভাবে নির্ভরশীল নই, তা হলে তার কাছ থেকে খামোখা টাকা নেব, কেন?’ এদিকে মেহবুবও রাজি হয়ে যান হবু স্ত্রীর দাবিতে।

রেল কর্মকর্তা বাবা থেকে এমন অনুপ্রেরণা পেয়েছেন সানজিদা।

তার ভাষ্য, ‘বাবাকে দেখেছি, ধর্মের নিয়ম মেনে জাকাত বা গরিব দুঃখীকে দান করার সময়ে টাকার বদলে শিক্ষায় সাহায্য করতে। গরিবদের মধ্যে হিন্দু-মুসলিম পার্থক্য করতেন না তিনি। ’

বর্ধমানের খণ্ডঘোষের গরিব কৃষকের ছেলে মেহবুব। কখনো কৃষিকাজ করে কখনো শহরে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে চাকরি করে ছেলেকে পড়াশোনা করিয়েছেন তিনি। সামনে যুক্তরাজ্যে ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে নগরায়ণ নিয়ে পোস্ট-ডক করতে যাচ্ছেন মেহেবুব।
দেনমোহর হিসেবে স্বামীর কাছ থেকে বই নিলেন তরুণী মোহরানা হিসেবে স্বামীর কাছ থেকে টাকার বদলে বই নিয়েছেন সানজিদা পারভীন নামের এক তরুণী। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এ ঘটনা ঘটেছে।

গত ১২ অক্টোবর ওই দম্পতির বিয়ে উপলক্ষে কেনা হয় ৫০ হাজার রুপির বইয়ের বিশাল সংগ্রহ। বাংলাদেশি মূল্যে যা ৬০ হাজার টাকা। গবেষণার জন্য পিএইচডিরত সানজিদার প্রয়োজন অনুযায়ী ছিল বেদ-বাইবেল বিষয়ক বইও।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, বর ২৯ বছর বয়সী মেহেবুব সাহানা দিল্লির জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। আর কনে ২৭ বছরের সানজিদা পারভিন উত্তরপ্রদেশের আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী। সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্যে মুসলিমদের চিন্তার পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা করছেন তিনি।

বিয়ের সময় মোহরানা হিসেবে হবু বর মেহেবুব থেকে অর্থের বদলে বই দাবি করেন সানজিদা। তিনি বলেন, ‘আমি বরের ওপরে আর্থিকভাবে নির্ভরশীল নই, তা হলে তার কাছ থেকে খামোখা টাকা নেব, কেন?’ এদিকে মেহবুবও রাজি হয়ে যান হবু স্ত্রীর দাবিতে।

রেল কর্মকর্তা বাবা থেকে এমন অনুপ্রেরণা পেয়েছেন সানজিদা।

তার ভাষ্য, ‘বাবাকে দেখেছি, ধর্মের নিয়ম মেনে জাকাত বা গরিব দুঃখীকে দান করার সময়ে টাকার বদলে শিক্ষায় সাহায্য করতে। গরিবদের মধ্যে হিন্দু-মুসলিম পার্থক্য করতেন না তিনি। ’
বর্ধমানের খণ্ডঘোষের গরিব কৃষকের ছেলে মেহবুব। কখনো কৃষিকাজ করে কখনো শহরে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে চাকরি করে ছেলেকে পড়াশোনা করিয়েছেন তিনি। সামনে যুক্তরাজ্যে ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে নগরায়ণ নিয়ে পোস্ট-ডক করতে যাচ্ছেন মেহেবুব