দোয়ারাবাজারে অগ্নিকান্ডে অর্ধকোটির টাকা ক্ষতি

by sylhetmedia.com

নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকান্ডে ৫টি দোকান ভস্মিভুত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের পশ্চিম বাংলাবাজার (লিয়াকতগঞ্জ) এর বাকির মিয়া মার্কেটে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। প্রায় তিন ঘন্টা স্থায়ী অগ্নিকান্ডে দোকানের মালামাল, আসবাবপত্র ও দোকানঘরসহ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে অন্তত অর্ধকোটি টাকা।

আগুন নেভাতে গিয়ে রুবেল মিয়া ও এনায়েত হোসেনসহ অন্তত ৫জন আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে উপজেলার পশ্চিম বাংলাবাজারে (লিয়াকতগঞ্জ) বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট আগুন মুহুর্তেই বাজারের বাকির মিয়া মার্কেটের চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে উপস্থিত ব্যবসায়ীবৃন্দ ও বাজার পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন গ্রাম থেকে আগত লোকজন প্রায় পৌনে তিন ঘন্টা প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হন।

তবে ভয়াবহ আগুনের হাত থেকে রক্ষা করতে না পারায় মালামালসহ ৫টি দোকান সম্পূর্ণরূপে ছাই হয়ে গেছে। ভস্মিভুত দোকানগুলো হলো- হারুন অর রশিদ ও আব্দুল হকের মুদি দোকান, শাখাওয়াত হোসেনের লেপ-তোষকের দোকান, আব্দুর রহমানের আরএফএল’র প্লাস্টিক ফাির্নচার দোকান এবং ডাক্তার আব্দুল কাদিরের মালিকানাধীন মেসার্স নাজমা ফার্মেসী।

বুধবার (২০ নভেম্বর) উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোর্শেদ আলী, সহ সভাপতি আব্দুল করিম, প্রভাষক জহিরুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা হারুন অর রশিদ, যুবদল নেতা জামাল উদ্দিন, ব্যবসায়ী বাচ্চু মিয়া ও নাসির মিয়াসহ স্থানীয়রা বলেন, দোয়ারাবাজার উপজেলা সদরে সিভিল ডিফেন্স ও ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলেও মূলত তা বাস্তবায়নে বিলম্বিত হচ্ছে। আগামিতে তা বাস্তবায়ন হলেও ভগ্নদশা রাস্তাঘাটের নাজুক দশায় আমরা সেবাবঞ্চিতই থেকে যাবো। এতে আমরা প্রত্যন্ত অঞ্চলের ব্যবসায়ীসহ সাধারণ জনগন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি।

উল্লেখ্য, বিগত বছরগুলোতে উপজেলা সদরসহ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে অগ্নিকান্ডের ফলে এ যাবত কোটি কোটি টাকার মালামাল ও অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তাই জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে জরুরি ভিত্তিতে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবরে জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

Related Posts