http://deloplen.com/afu.php?zoneid=2911084
Home সারাদেশ পথ শিশুদের সাথে চেঞ্জ টুগেদার ক্লাবের সদস্যদের আড্ডা ও মাস্তি
সারাদেশ - 2 weeks ago

পথ শিশুদের সাথে চেঞ্জ টুগেদার ক্লাবের সদস্যদের আড্ডা ও মাস্তি

মীম বিশ্বাস: মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। কিন্তু মানুষ একে ওপরের ভালোবাসা বা আন্তরিকতা অথবা যদি কোন সহযোগীতা না পায় তাহলে কেউ সফল হতে পারে না।
কোন পথ শিশু বা পারিবারের ছেলে-মেয়ে রঙিন স্বপ্ন নিয়ে এগুতে পারে না, সেখানেই স্বপ্ন থেমে যায়, থমকে দাড়ায় তার ভব্যিষত।
বলছিলাম…তেমনি মহত এক উদ্যোগ নিয়ে কোন এক বিকেলে সময় কাটান পথ শিশুদের সাথে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেঞ্জ টুগেদার ক্লাবের সদস্যরা

 

<মসজিদে আকসায় নামাজ পড়ার স্বপ্ন দেখে ৭ বছরের তরুণ!

 

শহরের অতি পরিচিত দৃশ্য হচ্ছে,বস্তা হাতে টোকাই বা পথ শিশুদের বিচরন। মূলতঃ রাস্তায় যত্রতত্র পড়ে থাকা বস্তু গুলো কুড়ানোই এদের মূল কাজ।

প্রায়শই খালি গায়ে কিংবা ছেড়া জামাকাপড় পড়ে ঘুরে বেড়ায় এই সব শিশুরা। নিছক জীবিকা বা বাবা-মাকে বেঁচে থাকার রসদ যোগানোর জন্য বাল্য বয়সে তাদের এই রকম জীবন যাপন। আচ্ছা আমাদের কি কিছুই করার নেই এদের জন্য?

<বাবার মৃত্যু দেখে পরীক্ষা দিল ছেলে!

আমরা দেশের জন্য কত কিছুই তো করতে চাই। সকলের সম্মিলিত একটু চেষ্টায় এই সকল পথ শিশু পেতে পারে একটু মানবিক জীবন যাপনের সুযোগ।

আচ্ছা শিশুদের পথশিশুতে পরিণত হওয়ার কারণ কি আমরা জানি ? আমার মতে, মূলত দারিদ্র্যের কারণে শিশুরা পথশিশুতে পরিণত হচ্ছে।

 

< ভাইরাল হওয়া অন্তরঙ্গ ছবি: মুখ খুললেন মিথিলা

এ ছাড়া বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদ বা একাধিক বিয়ে, তাঁদের মৃত্যু, পারিবারিক অশান্তি, শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতন সহ নানা কারণে বাড়ি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে শিশুরা পরিণত হয় পথশিশুতে।

এই শিশুদের পাশে যদি আমরা বা আমাদের সমাজ না থাকে তাহলে কি তারা একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ পেতে পারে ?

অবশ্যই দেশ সমাজ ও জাতির মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে এই সব শিশুদের মনের কথা কেন তারা মাদকাসক্ত হচ্ছে কেন তারা এসব পথ বেছে নিয়েছে । ধানমন্ডি লেকে প্রায়শই যাওয়া আসা হয় আমার ।

কথা বলি অনেক বাচ্চার সাথে এক বাচ্চার কথা বলার ধরন কারণ এক এক রকম অদ্ভুত লাগে আমার কাছে। লেকে যাওয়ার সুবাদে আমি সিদ্ধান্ত নেই পরবর্তীতে এমন কোনো কার্যক্রম করব যেটার মাধ্যমে এ বাচ্চাগুলোকে এক চিলতে খুশি যেন উপহার দিতে পারি।

 

<দেনমোহর হিসেবে স্বামীর কাছ থেকে টাকার বদলে বই নিলেন স্ত্রী!

তাইতো সেদিন গিয়েছিলাম ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেঞ্জ টুগেদার ক্লাব থেকে আমরা এক ঝাঁক ছেলেমেয়ে।

হ্যাঁ গিয়েছিলাম এইসব বাচ্চাদের কাছে,কাটিয়েছি তাদের সাথে একটা বিকেল। তাদের সাথে ছবি এঁকেছি,বিস্কুট দৌড়, মার্বেল দৌড় ,নাচ-গান সবকিছু মিলিয়ে একটা সন্ধ্যা কাটিয়েছি। আপনি বিশ্বাস করতে পারবেন না বাচ্চাগুলো ঠিক কতটা খুশি হয়েছিল, আমার কাছে সেদিন মনে হয়েছিল সত্যিই মনে হয় একটু খুশি করতে পেরেছি তাদের আমরা ।

ঠিক তাই তাদেরকে একটু সময় দিন দেখবেন তারাও আমার আপনার মতই স্বাভাবিক ভাবে বাঁচতে চাইবে । শুধু খেলাধুলা বা শীতবস্ত্র বিতরণ টাকা-পয়সা এইটুকু ছোট সাহায্য করে একটা শিশুর খুব বেশি পরিবর্তন করা যায় না।

আমি মনে করি এই বাচ্চাগুলোকে পথশিশু বা সুবিধাবঞ্চিত না বলে তাদের পাশে যদি আমরা এভাবে প্রতিনিয়ত দাঁড়ানোর চেষ্টা করি,তাহলে আশা করি একটুও হলে আমরা পরিবর্তন আনতে পারব ।পৃথিবীর একই আলো বাতাসে জন্মনিলেও সবাই একই রকম হয় না। একই দিনে, একই সময়ে, একই শহরে জন্মনিয়েও মানুষে মানুষে অনেক ব্যবধান তৈরি হয়।কেউ হয় রাজপুত্র রাজকন্যা আর কেউ হয় ভিখারী। কেউ হয় আইনস্টাইন আর কেউ হয় সামান্য। সবকিছু শেষ কথা হল আমরা মানুষ,আমরা এ প্রজন্মের মানুষ।আমরা তরুণরা চেষ্টা করবো সবার মধ্যে ভেদাভেদ জিনিসটা কে দূর করতে ।

http://deloplen.com/afu.php?zoneid=2911084

আমাদেরকে ভুলে যেতে হবে রাজপ্রাসাদ আর কুঁড়েঘর আলাদা না, একই জায়গা।সবাই আমরা রক্তে মাংসে গড়া মানুষ।আমরা যদি আমাদের কে বোঝাতে সক্ষম হই, ইনশাল্লাহ পৃথিবীতে একদিন অনেক সুন্দর কিছু তৈরি হবে।আর সেই প্রচেষ্টাতেই আমরা কাজ করে যাবো,কাজ করবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেঞ্জ টুগেদার।আর একইসাথে এই কাজে এগিয়ে আসতে হবে তুমি-আমি-আপনি,আমাদের সবাইকে।