বানিয়াচং সর: বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান

by sylhetmedia.com

রায়হান উদ্দিন সুমন : সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মান ভালো এমন বাস্তবতার কারণে অভিভাবকরা চেষ্টা করেন সেসব বিদ্যালয়ে তাদের ছেলে মেয়েদের ভর্তি করাতে। সম্প্রতি সময়ে শিক্ষকট সংকটের ফলে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা দারুনভাবে বিঘিœত হচ্ছে। পাশাপাশি ফলাফলে দেখা দিয়েছে বিপর্যয়। তেমনি ভাবে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকটে ভুগছে বানিয়াচংয়ের একমাত্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাঠদান। বিদ্যালয়টি ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। আর সরকারিকরণ হয় ১৯৮৫ সালে। বর্তমানে এই বিদ্যালয়টি শিক্ষক ও কর্মচারী সংকটের ফলে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো কর্মকান্ডসহ পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

বিদ্যালয় সুত্রে জানা যায়,বর্তমানের এই বিদ্যালয়ে মোট ছাত্রীর সংখ্যা ৫৬৬ জন। অন্যদিকে ৫৬৬ জন শিক্ষার্থীদের পাঠদানে প্রধান শিক্ষক নিয়ে মাত্র ৩ জন শিক্ষক রয়েছেন। সহকারি শিক্ষক নিয়ে যেখানে ১০ জন থাকার কথা সেখানে মাত্র ৭ জন খন্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে চলছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান। কর্মরত ৩ শিক্ষক হলেন-ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলফাজ উদ্দিন,সহকারি শিক্ষক আব্বাছ উদ্দিন আহমেদ ও মো: সুলতান আলী। খন্ডকালীন সহকারি শিক্ষক হিসেবে রয়েছেন,সিরাজ উদ্দিন খান,সাবেদ আলী চৌধুরী,শ্যামল কুমার বিশ্বাস,অলকা বিশ্বাস,নারজু বেগম,সৈয়দা চাশমে আরা কেফা ও রুমন বিশ্বাস। এমএলএসএস পদে ৬ জনের মধ্যে আছে মাত্র ১ জন। পাশাপাশি এই বিদ্যালয়ে শুণ্য রয়েছে অফিস সহকারি ও নাইটগার্ডের পদ। গুরুত্বপুর্ণ বিষয়গুলোতে শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষাবঞ্চিত হচ্ছে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাওছার শোকরানা জানান,সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্যোগের অভাব নেই । ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষক সংকট দুর করার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষকে শূন্যপদের বিপরীতে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হলে শিগগিরই শিক্ষক সংকট দুর হবে। বিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্রীর সাথে কথা বলে জানা গেছে,শিক্ষক সংকট থাকার পরও অনেক শিক্ষক নিয়মিত ক্লাস নেন না। এতে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।

বানিয়াচং সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলফাজ উদ্দিন শিক্ষক সংকটের কথা স্বীকার করে জানান,একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী প্যাটার্ন অনুযায়ী এই বিদ্যালয়ে ১০ জন শিক্ষক থাকার কথা। কিন্তু বর্তমানে ৩ জন শিক্ষক ও খন্ডকালীন ৭ জন শিক্ষক দিয়ে ৫৬৬ জন শিক্ষার্থীদের পাঠদান দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে আমাদের। এই বিদ্যালয়ে দুরের কোন শিক্ষক বদলী হয়ে আসতে চান না। কোচিং সুবিধা না থাকায় শিক্ষকরা কেউ আসেন না। আবার কেউ আসলেও কয়েক মাস থেকে অন্যত্র বদলী হয়ে চলে যান।

Related Posts



cheap mlb jerseyscheap nfl jerseyscheap mlb jerseyscheap nhl jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseyscheap jerseys