শিক্ষিকার অবহেলার কারণে জেএসসি পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত শিক্ষার্থী

by sylhetmedia.com

নিউজ ডেস্ক: অভিযুক্ত শিক্ষিকা বরখাস্ত,

বাহুবলে স্কুল শিক্ষিকার দায়িত্বে অবহেলা ও ভূলের মাসুল দিতে হচ্ছে এক শিক্ষার্থীকে। লিপি আক্তার নামের ওই ছাত্রী চলতি জেএসসি পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষিকা রুবি রাণী দাসকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে ম্যানেজিং কমিটি।

জানা যায়, বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের মীরের পাড়া গ্রামের মতিন মিয়ার কন্যা লিপি আক্তার পুটিজুরী শরৎচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে চলতি জেএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। সরকারী বিধি মোতাবেক রেজিষ্ট্রেশন ফি ও সকল প্রকার কাগজ-পত্র ফিলাপ করে জেএসসি পরীক্ষার প্রস্ততি নেয় ওই ছাত্রী। কিন্ত পরীক্ষার যাবতীয় কাগজ পত্র প্রতিষ্ঠানের দপ্তরে জমা দেননি ক্লাস শিক্ষিকা রুবী রানী দাস।

যার কারণে চলতি জেএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে পারেনি লিপি আক্তার। তার শিক্ষা জীবন থেকে ঝড়ে গেল একটি বছর। এ বিষয় নিয়ে রবিবার বেলা ১১টায় স্কুল প্রাঙ্গনে ম্যানেজিং কমিটির এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকা নিজের দায়িত্বে অবহেলার কথা স্বীকার করলে স্কুল কমিটি তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।

আরও পড়ুন: <মসজিদে আকসায় নামাজ পড়ার স্বপ্ন দেখে বছরের তরুণ!

<বাবার মৃত্যু দেখে পরীক্ষা দিল ছেলে!

 

< ভাইরাল হওয়া অন্তরঙ্গ ছবি: মুখ খুললেন মিথিলা

<দেনমোহর হিসেবে স্বামীর কাছ থেকে টাকার বদলে বই নিলেন স্ত্রী!

 

এ বিষয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক কানু প্রিয় চক্রবর্তী জানান, ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং পরীক্ষা বঞ্চিত ছাত্রীর এক বছরের শিক্ষা বাবত সকল খরচ ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে চাইছেন অভিযুক্ত শিক্ষিকা।

তবে পরীক্ষা বঞ্চিত ছাত্রীর পরিবারের দাবী, খরচ বাবত টাকা নিয়ে কি হবে, যার শিক্ষা জীবন থেকে একটি বছর ঝড়ে গেল তার ক্ষতিপূরণ কে দিবে? এ বিষয়ে পুটিজুরী শরৎচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শাহ আব্দুল আহাদ বলেন, যে শিক্ষিকার দায়িত্বে অবহেলা ও গাফিলতির কারণে একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবনে ঝুকি নেমে আসে তাকে সাময়িক নয়, প্রয়োজনে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করার পরীকল্পনা আমাদের রয়েছে, তারপরও স্কুলে শিক্ষার মানোন্নয়নে ব্যাঘাত ঘটতে দিবনা।

এছাড়া অভিযুক্ত শিক্ষিকা রুবী রানী দাসের বিরুদ্ধে স্কুলে শিক্ষার্থীদের সাথে অসদাচরণ ও খারাপ ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি স্কুলের অফিসে বসে শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় না নিয়ে মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকেন শিক্ষিকা রুবি রানী দাস। তিনি স্কুলে অফিস কক্ষে চেয়ারে বসে টেবিলে পা রাখেন প্রতিদিন। উল্লেখ্য তিনি অত্র স্কুলের সহকারী শিক্ষক দোলন চন্দ্র দাসের স্ত্রী। এ নিয়ে অভিভাবকদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।

সূত্র: আওয়াজবিডি

Related Posts